বাংলাদেশ আবিষ্কার করুন

মোহাম্মদপুর

মোহাম্মদপুর-এর সব প্রপার্টি দেখুন

মোহাম্মদপুর এলাকার বিস্তারিত

একনজরে মোহাম্মদপুর

ইতিহাস ঐতিহ্যের নির্দশক মোহাম্মদপুর ঢাকার বুকে এখনো অবস্থান করছে তার স্বমহিমায়। শুরুতে মোহাম্মদপুর কেবল মাত্র আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠলেও বর্তমানে এর বানিজ্যিক গুরুত্বও সমান হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মোহাম্মদপুরে বিপুল সংখ্যক মানুষের বসবাস। ঢাকা শহরের দ্রুত বর্ধনশীল জনবহুল একটি এলাকা এটি। যা দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পেছনে প্রধান কারন এর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং তুলনামূলক স্বল্পমূল্যে আবাসনের সহজলভ্যতা। দ্রুত নগরায়ন এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে মোহাম্মদপুর নিজেই একটি ছোট শহরে পরিনত হয়েছে।

মোহাম্মদপুর মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চ-মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারের বসবাসের জন্য একটি উপযুক্ত স্থান।

যাতায়াত ব্যবস্থা

মোহাম্মদপুরে ঢাকার যেকোন এলাকা থেকেই খুব সহজে যাতায়াত করা যায়। অভ্যন্তরিন যাতায়াতের জন্য এখানে ব্যাটারি ও প্যাডেল চালিত রিক্সা, লেগুনা, নগর পরিবহণ।

অবকাঠামোগত পরিকল্পনা এবং অসংখ্য সরকারী ও ব্যক্তিগত যানবাহনের সহজলভ্যতার কারনে মোহাম্মদপুরের বাসিন্দারা রাস্তাঘাট ও পরিবহনের বিশাল এক নেটওয়ার্ক উপভোগ করেন সবসময়। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ বানিজ্যিক ও প্রসাশনিক সব এলাকায় যাতায়াতের জন্য রয়েছে সরাসরি বাস। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড পুরো মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া এবং ধানমন্ডি এলাকার জনসাধারণের জন্য সহজেই গণপরিবহন পাওয়া যায়।

মোহাম্মদপুর আবাসন

পুরানো অনেক ভবনই আধুনিক অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এ রূপান্তরিত হয়েছে, তবে এলাকার অনেক জায়গায় এখনো বেশ কিছু স্থাপনা সেই পুরনো দিনের বৈশিষ্ট্যগুলো সগৌরবে বহন করে চলেছে।

এখানে বেশ কিছু আবাসন ব্যবস্থার মধ্যে চানমিয়া হাউজিং, বাইতুল আমান হাউজিং সোসাইটি, কাদেরাবাদ হাউজিং ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয় আবাসন প্রকল্প।

ঐতিহাসিক নির্দশন

মোহাম্মদপুর একটি ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ এলাকা। যার প্রায় প্রতিটি রাস্তার নাম মোঘল আমলের ঐতিহাসিক ব্যক্তি বা স্থাপনার নামে। যেমন - তাজমহল রোড, হুমায়ন রোড, নুরজাহান রোড, বাবর রোড।

বিখ্যাত সাত গম্বুজ মসজিদ ধানমন্ডির সীমানায় অবস্থিত হলেও এটি মোহাম্মদপুরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যা একটি প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান। মোঘল আমনে এই মসজিদটি গড়ে ওঠে। এই মসজিদের নাম অনুসারে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তাটি সাত মসজিদ রোড নামে পরিচিত।

এছাড়াও আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক নির্দশন বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারে অবস্থিত। যেখানে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হয়েছিলেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা।

মোহাম্মদপুরের আরো একটি ঐতিহাসিক স্থান জেনেভা ক্যাম্প। যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এখানে উর্দুভাষী ‘বিহারী’ জনগোষ্ঠি মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে এখনও বসবাস করে আসছে।

খাবারদাবার

মোহাম্মদপুরের রকমারি স্ট্রিটফুডের জনপ্রিয়তা সারা শহর জুড়ে। তাই শহরের নানান প্রান্ত থেকেই এখানে মানুষ আসেন তা উপভোগ করতে। মোস্তাকিমের চাপ, বোবার বিরিয়ানি এরকম আরো নানান জনপ্রিয় খাবারের পশরা সাজিয়ে ভোজন রসিকের আকৃষ্ট করছে বহুকাল ধরে।

এছাড়াও আন্তঃদেশীয় খাবারের জন্য আছে নামিদামি রেস্তোরা। পরিবার ও বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে সুন্দর সময় কাটানোর জন্য যা হতে পারে উপযুক্ত যায়গা।

কেনাকাটা

মোহাম্মদপুরে শপিং এর জন্য আছে কৃষি মার্কেট, টোকিও স্কোয়ার। টোকিও স্কোয়ারে প্রায় সব ধরনের ব্রান্ডের দোকানের সমারোহ আছে। আর স্বল্পমূল্যে পাইকারি বা খুচরা কেনাকাটার জন্য আছে কৃষি মার্কেট। যেখান থেকে ক্রেতাদের রোজকার দিনের চাহিদা অনায়াসেই পুরণ হয়ে যায়।

এছাড়াও কাঁচবাজেরর জন্যও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট জনপ্রিয়। এখানে তাজা মাছ, মাংস, সবজি পাওয়া যায়।

মোহাম্মদপুর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে তার স্বমহিমায়। সেই সাথে মোঘল আমলের ঐতিহ্যের ছোঁয়াও রয়েছে এই এলাকায়।

মোহাম্মদপুর

মোহাম্মদপুর-এর প্রপার্টি

এখানে বিক্রি ও ভাড়ার যাচাই করা প্রপার্টি, প্রপার্টি ইনডেক্স থেকে।

এখন এখানে কোনো প্রপার্টি তালিকাভুক্ত নেই। অ্যাডভাইজারকে বলুন, আমরা আপনার জন্য অপশন খুঁজে দেব।

নতুন

আপনার এআই প্রপার্টি সহকারী

আপনি কী খুঁজছেন তা নিজের ভাষায়, বাংলা বা English-এ বলুন, সহকারী আপনার জন্য মানানসই প্রপার্টি খুঁজে দেবে।

  • “বসুন্ধরায় দেড় কোটি টাকার মধ্যে ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাট”
  • “গুলশানে ভাড়ার জন্য অফিস স্পেস”

চ্যাটটি আপনার স্ক্রিনের নিচের ডান কোণায় খুলবে।

প্রপার্টি ইনডেক্সের অ্যাডভাইজরের সাথে কথা বলুন

আপনার এলাকা, বাজেট ও আয়তন জানান। আমরা যাচাইকৃত অপশন জানাব।